গরম খবর : বিএনপির মিছিলে বাধা, ব্যানার কেড়ে নিল ! নেপথ্যে কারা ?

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নতুন বাজার পায়রা চত্বর থেকে এই মিছিলটি বের করে শহর বিএনপি।ময়মনসিংহে শহরে পুলিশের বাধায় সোমবার বিএনপির মিছিল পণ্ড হয়ে গেছে। এ সময় নেতাকর্মীদের হাত থেকে ব্যানার কেড়ে নেয় পুলিশ।

মিছিলটি অল্প কিছু দূর গেলেই পুলিশ এসে পেছন দিক থেকে ঘিরে ফেলে। পরে তারা সামনে এসে ঘেরাও করে ফেললে মিছিলটি আর এগুতে পারেনি। এ সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়।

শহর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম মাহাবুবুল আলম পুলিশ কর্মকর্তাদের বলেন, ‘আমাদের দলের অফিসে যেতে দিন, মিছিল শেষ করে দেব।’

কিন্তু তাতেও রাজি হননি পুলিশ কর্মকর্তারা। এ সময় বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে, পুলিশ কর্মকর্তারা নেতাকর্মীদের হাত থেকে ব্যানার কেড়ে নেন।

এরপর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী রানা বাকি নেতাকর্মীদের চলে যেতে নির্দেশ দেন।

মিছিলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন শহর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম শফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল হান্নান খান, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম আজাদ প্রমুখ।

জানা যায়, বিএনপির মিছিলটি শুরু হওয়ার আগে থেকেই নতুন বাজার বিএনপি অফিস এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা ছিল। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের চেয়ে পুলিশের সংখ্যাই ছিল বেশি ছিল।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ২ নম্বর টাউন পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সজীব রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারি দায়িত্ব পালন করেছি।’

আসামিদের জামিন, বেরাইদ ইউনিয়নে আতঙ্ক

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাড্ডায় দুই পক্ষের গোলাগুলিতে কামরুজ্জামান দুখু মিয়া নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার ২৭ আসামির মধ্যে ২১ জন জামিন পেয়েছেন।

অন্যদিকে, এই মামলার প্রধান আসামি ফারুক আহমেদ ওরফে ভাগ্নে ফারুক, আইয়ুব ও সাজ্জাদ নামে ৩ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালাত।

সোমবার দুপুরে আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পন করলে বিচারক এ নির্দেশ দেন।

বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াজেদ আলী জানান, গত ২২ এপ্রিল নিহত হন কামরুজ্জামানান। এরপর ২৪ এপ্রিল নিহত কামরুজ্জামানের ভাই বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বাদি হয়ে ২৭ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর আসামিদের ধরতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা, গাজিপুর, নারায়ণগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ঘটনার সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখে নাজের ও মোসলেম নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও ওই দুইজনের নাম এজাহারে অন্তর্ভুক্ত ছিলো না। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, ভাগ্নে ফারুকের সহযোগি ২১ আসামি জামিন পাওয়ায় এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকার মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *