তাজা খবর : বাতিল করা হয়েছে – এইমাত্র নিশ্চিত করলেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ !

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, শর্ত যথাযথভাবে পূরণ না করা এবং চাহিদার ভিত্তিতে তথ্য না দেওয়ার কারণে ‘ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন’র নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ জুন) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সচিব বলেন, দলটি নিবন্ধনের শর্ত পূরণ করেনি। আমরা তথ্য চেয়েছিলাম। তাও দেয়নি। তাই ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল করেছ ইসি।

একটি কমে বর্তমানে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৯টি। এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল হয়েছিল আদালতের আদেশে। এছাড়া আরও দু’টি দলের নিবন্ধনও বাতিল করেছে ইসি।

নতুন দলের নিবন্ধন প্রসঙ্গে হেলালুদ্দীন বলেন, গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দরখাস্ত পেয়েছিলাম ৭৫টির। নির্ধারিত ফি জমা না দেওয়ায় ১৯টির আবেদন প্রথমেই বাতিল হয়।

আমরা ৫৬টি আবেদন আমলে নিয়ে আরও কিছু তথ্য দেওয়ার জন্য বলেছিলাম। যথা সময়ে তথ্য দিতে না পারায় পরে ৯টি আবেদন বাতিল হয়।

অবশিষ্ট ৪৫টি আবেদনে নিবন্ধনের যথাযথ শর্ত পূরণ না হওয়ায় নির্বাচন কমিশন নামঞ্জুর করেছেন। কেবল দুইটি দলের আবেদন মাঠ পর্যায়ে তদন্তের জন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

একটি হল গণ আজাদী লীগ। অন্যটি বাংলাদেশ কংগ্রেস। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের নিবন্ধন দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ইসি।

এদিকে, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা একটি দলের আবেদন দিয়েছিলেন নির্ধারিত সময়ের পরে। তাই কমিশন তার আবেদনটি বাতিল করে দিয়েছে।

সিটি নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের প্রচারণার সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, তাদের সুযোগ সৃষ্টিতে বিধিমালা সংশোধনের জন্য প্রস্তাব আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল।

ভেটিং শেষে আইন মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার (১১ জুন) আমরা রিপোর্ট পেয়েছি । ঈদের পরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে ইসি। তখন এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পরে সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। তার আগে পারবেন না।

এক্ষেত্রে রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা প্রচারণায় যেতে পারবেন না। কেননা বিধিমালা সংশোধনের আগেই এই তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *