বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের ছেলে তাবিথ আউয়ালকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে – জেনে নিন সর্বশেষ পরিস্থিতি

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ মঙ্গলবার সকাল দশটা থেকে ঢাকার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন সংস্থাটির উপপরিচালক আখতার হামিদ ভূঁইয়া।

তাবিথের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি।

দুদক সূত্র জানায়, চলতি বছরই তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে এ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

গত ২ এপ্রিল তাবিথ আউয়াল এবং বিএনপির জ্যেষ্ঠ সাত নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আরেকটি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তাঁদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তাবিথ আউয়াল ছাড়া যেসব জ্যেষ্ঠ নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে, তাঁরা হলেন স্থায়ী কমিটির চার সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও মির্জা আব্বাস, দুই ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ও এম মোর্শেদ খান, যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল। এ ছাড়া এম মোর্শেদ খানের ছেলে খান ফয়সাল মোর্শেদ খানের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান হচ্ছে।

সাংসদপুত্র রনির বিরুদ্ধে মামলায় আরও শুনানি হবে

আওয়ামী লীগের সাংসদ পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম ওরফে রনির বিরুদ্ধে গুলি চালিয়ে দুজনকে হত্যা মামলার রায় আজ মঙ্গলবার হচ্ছে না। এই মামলার বিচারক আরও যুক্তিতর্কের প্রয়োজন মনে করায় রায় ঘোষণার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আজ ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আল মামুনের আদালতে আলোচিত হত্যা মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। তবে অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি আবদুস সাত্তার বলেন, আদালত অধিকতর শুনানির প্রয়োজন মনে করেছেন। তাই আজ রায় ঘোষণা হচ্ছে না। রায়ের আদেশ প্রত্যাহার করে অধিকতর শুনানির দিন ঠিক করা হবে।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ১০ এপ্রিল রায় ঘোষণার এই দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে নিউ ইস্কাটনে একটি গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া হয়। গুলিতে রিকশাচালক আবদুল হাকিম ও অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী গুরুতর আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ এপ্রিল হাকিম এবং ২৩ এপ্রিল ইয়াকুব মারা যান।

এ ঘটনায় হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম ১৫ এপ্রিল রমনা থানায় মামলা করেন।

সূত্র : প্রথম আলো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *