ব্রেকিং : ভেঙে দিলো জাপা’র আহ্বায়ক কমিটি ! এইমাত্র এরশাদ নিজেই ঘোষণা দিলেন – পড়ুন বিস্তারিত

খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থীর পরাজয়ে খুলনা মহানগর জাপার আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দেয়া হয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সিদ্ধান্তে এ কমিটি ভেঙে দেয়া হয়। বুধবার (১৬ মে) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যেমে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সদ্য সমাপ্ত খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পার্টির ভোট বিপর্যয়ের জন্য মহানগর কমিটির ব্যর্থতাকে দায়ী করে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে খুলনা মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচনে জিতলে ভালো, হারলে খারাপ: ইনু 

জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, নির্বাচনে জিতলে ভালো, হারলে খারাপ- বিএনপির এমন দ্বৈতনীতি রাজনীতির জন্য শুভ নয়।

বুধবার (১৬ মে) দুপুরে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের শিক্ষক সম্মেলনে যোগ দিয়ে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির পরাজয় প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্ব দেখেছে খুলনার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। গণমাধ্যমের চোখের সামনে ভোট হয়েছে। ভোট শান্তিপূর্ণ হয়নি এমন কোনো প্রতিবেদন দেশি-বিদেশি কোনো গণমাধ্যম প্রকাশ করেনি। বিএনপির প্রার্থীও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে ছিলেন এবং ভোট গণনায় অংশ নিয়েছেন। শান্তিপূর্ণ সে নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে। বিএনপির এটা মেনে নেওয়া উচিত। নির্বাচনে জিতলে ভালো এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। হারলে খারাপ হয়েছে- এমন নীতি তাদের পরিহার করা উচিত। বিএনপি নেতৃবৃন্দ যে বক্তব্য রাখছেন, তা বাস্তব অবস্থার উল্টো।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় নির্বাচন বর্জনের একটা উছিলা খুঁজছে বিএনপি। উল্টো পাল্টা কথা বলে তারা নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। এসব বাদ দিয়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন।

কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনরে কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হাসানুজ্জামান খসরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শিক্ষক সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম স্বপন, ভেড়ামারা উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক এস এম আনছার আলী, কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান লায়ন এম এ রশিদ মিয়া প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ভেড়ামারার ৫০টি, মিরপুরের ৩০টি এবং দৌলতপুর উপজেলার ২০টি কিন্ডার গার্টেনের প্রায় চারশ’ শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *