ব্রেকিং : সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের এইমাত্র মত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ! তাহলে কি ?

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সময় এমপিরা যাতে প্রচার চালাতে পারেন তার পক্ষে মত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বর্তমান আইন অনুযায়ী তারা নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারেন না। তবে এ সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ বাদ দেয়ার প্রস্তাব করেছে সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠানটি।

রোববার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আইন, বিধি-বিধান প্রণয়ন কমিটির এক সভায় এ প্রস্তাব তোলা হয়। সভাটি বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল ইসিতে গিয়ে এ সংক্রান্ত বিধি নিষেধ তুলে নেয়ার দাবি জানায়। তবে দেশের অন্যতম প্রধান দল বিএনপি এমপিদের প্রচারণার চলানোর বিপক্ষে মত দিয়েছে।

ইসির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এমপিরা নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করাসহ নিজ দলের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারের সুযোগ পাবেন। তবে ভোটের দিনে ওই এমপি শুধু ভোটকেন্দ্র ভোট দিয়ে বাসায় চলে যাবেন। ওই দিন তিনি কোথাও অবস্থান করতে পারবেন না। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারের সময় নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বা অন্য কোনো প্রটোকলও পাবেন না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার ও আইন, বিধি-বিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি কবিতা খানম কোনো মন্তব্য করেননি।

প্রসঙ্গত, গত ১২ এপ্রিল স্থানীয় সরকারের সকল নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণা ও স্বাভাবিক রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ রেখে আচরণ বিধির পরিবর্তন চেয়েছিল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। ১৫ মে খুলনা ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে এমন দাবি জানায় তারা।

ফোনে অশ্লীল ম্যাসেজ, শিক্ষককে পিটিয়ে শিক্ষা দিলেন ছাত্রীরা

মোবাইল ফোনে অশ্লীল ম্যাসেজ পাঠানোর অপরাধে ভারতের এক কলেজ শিক্ষককে ধরে পিটিয়েছেন তারই ছাত্রীরা। ছাত্রীদের বক্তব্য, ওই শিক্ষক যৌন হয়রানিমূলক ম্যাসেজ পাঠিয়েছেন। এ অপরাধে ওই শিক্ষককে পেটানোর ভিডিওটি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের পাটিয়ালা সরকারি মহিলা কলেজে এ ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই ভিডিওটি প্রকাশ করেছে।

২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, দুই ছাত্রী ওই প্রফেসরকে দুই হাত ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। পরে আরও কয়েকজন ছাত্রী এতে যোগ দেন। প্রফেসরের হাত ধরে টানাটানির এক পর্যায়ে তারা শার্টের কলার ধরে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন।

ভারতে শিক্ষকদের ছাত্রীকে হয়রানি করার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এ বছরের শুরুতে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার দায়ে অভিযুক্ত হন।

এ ঘটনায় ছাত্রীরা ওই অধ্যাপককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত ও বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দাবি করেন। পরে দিল্লী পুলিশ অতুল জোহরি নামের ওই অধ্যাপককে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *