সুখবর ! এবার প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য দারুন সুখবর দিলো – বিস্তারিত জানুন ক্লিক করে

সৌদি আরবে অসহনীয় তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় দুপুর ১২ টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো নিষিদ্ধ করেছে সৌদি সরকার।

আগামী ১ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী মোতাবেক ১৫ জুন ২০১৮ খ্রিঃ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এই তিন মাস সৌদি আরবে তাপমাত্রা অত্যাধিক হারে বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়।

তাই, সৌদির শ্রম ও সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এ নিষেধাজ্ঞা জারি করে।এ বিষয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের ১৫/০৭/১৪৩৫ হিজরী তারিখের প্রজ্ঞাপন নং- ৩৩৩৭ এর কথা স্মরণ করিয়ে দেন সৌদি শ্রম ও সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মূখপাত্র আবা আল খাইল।তিনি সকল নিয়োগ কর্তাকে অবিলম্বে এই নির্দেশ পালন নিশ্চিত করতে বলেছেন।

সৌদি আরবের সরকারি বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সিকে তিনি বলেছেন, তেল ও গ্যাসক্ষেত্রসহ জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগে যারা কর্মরত তারা এ নির্দেশের বাইরে থাকবেন। তবে তাদেরকে সূর্যের তাপ থেকে রক্ষায় অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সৌদি আরবের যেসব এলাকায় তাপমাত্রা কম সেখানেও এ নির্দেশ কার্যকর হবে না।

খাইল বলেন, মন্ত্রণালয় বেসরকারি খাতে যারা কর্মরত তাদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সৈদি সরকার। তাদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশও নিশ্চিত করতে চান তারা।তিনি জানান, নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত হতে বিভিন্ন অঞ্চলের কাজের স্হান পরিদর্শন করবে মন্ত্রণালয়।

কোথাও এই নির্দেশ অমান্য হলে ১৯৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করে অভিযোগ জানাতে বলেন, খাইল।

বিদেশ থেকে পাঠানো প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের উপর কোনো মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আরোপ করা হয়নি।

বুধবার (১৩ জুন) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ মু’মেনের পাঠানো এক বিবৃতিতে এমনটা জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের উপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট আরোপিত হয়েছে মর্মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে।  এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব।

দেশের বৈধ রেমিট্যান্স প্রবাহ বন্ধ করে হুন্ডির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণের অপপ্রয়াস হিসাবে এ প্রচারণা চালানো হতে পারে বলে মনে করে এনবিআর।

মূল্য সংযোজন কর আরোপিত হয় পণ্য বা সেবা সরবরাহের উপর। প্রবাসীরা দেশের বাইরে কঠোর শ্রমে যে সেবা দিয়ে থাকেন তার বিনিময়ে বৈদেশিক মুদ্রা আহরিত হয়। এ সম্পূর্ণ কার্যক্রম মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ এর ধারা ৩ এর উপ-ধারা ২(ক) মোতাবেক সেবা রপ্তানি হিসেবে বিবেচিত।

সুতরাং এ রপ্তানি কার্যক্রম ভ্যাটের আওতা বহির্ভূত। অর্থাৎ রেমিট্যান্স সীমা নির্বিশেষে এ খাতের উপর কোনো ভ্যাট প্রযোজ্য নয়। তাই প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে যে কোনো পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, অবৈধ চ্যানেল বা হুন্ডির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্স করা হলে তা জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে না। তাই হুন্ডির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্স পাঠানো থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড হুন্ডি বা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের বিষয়ে সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে ওই বিবৃতি জানানো হয়েছে।

সূত্র :একাত্তর ২৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *