সেই ফেরিতে মুজাহিদের পতাকাবাহী গাড়ি ছিল: তোফায়েল – নেপথ্যে কি ?

বিরোধী দলে থাকার সময় হাতকড়া পরিয়ে কুষ্টিয়া কারাগারে নেয়ার স্মৃতি তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন,

যেই ফেরিতে পাঠানো হয়েছিল, সেই ফেরিতে মুজাহিদের (ফাঁসি কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা ও সাবেক মন্ত্রী) পতাকাবাহী গাড়ি ছিল।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়ার দুর্নীতি সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত। টাকা এসেছে এতিমের জন্য, টাকা চলে গেল জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে। যে ট্রাস্ট্রের চিহ্নও নাই। এখন আদালত রায় দিয়েছে। সেটা নিয়ে সরকারের কী করার আছে?

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া জেলে থাকায় বিএনপির ভোট দিনে ১০ লাখ করে বাড়ছে বলে দাবি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। আমার অবাক লাগে একজন শিক্ষিত লোক কিভাবে বলেন- তার নেত্রী যতদিন জেলে থাকবেন, বিএনপির জনপ্রিয়তা তত বাড়বে।’

‘যদি হয় কোর্টে যাবেন না, জামিন চাইবেন না। খালেদা জিয়াকে জেলে রাখেন। জেল থেকে বের হলে তো আবার জনপ্রিয়তা আটকে যাবে’ ব্যারিস্টার মওদুদকে উদ্দেশ করে বলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এই সদস্য।

তিনি বলেন, ‘এই মওদুদ আহমদ ও আমরা ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনে এক সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছিলাম। আমাকে পাঠিয়ে দিয়েছিল রাজশাহী আর মওদুদ সাহেবকে ময়মনসিংহে। জেলখানায় ফ্লোরে ছিলাম। মওদুদ সাহেবও ছিলেন।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘এরপর ২০০২ সালে সিঙ্গাপুর থেকে আসার পর গ্রেফতার করে এরশাদ শিকদারের সঙ্গে রাখা হয়েছিল। জেলখানায় আমরা ফ্লোরিং করেছি।

হাতকড়া পরিয়ে কুষ্টিয়ায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। যেই ফেরিতে পাঠানো হয়েছিল সেই, ফেরিতে মুজাহিদের পতাকাবাহী গাড়ি ছিল, ধিক সেই বাংলাদেশ! এটা খালেদা জিয়া করেছিলেন।’

এসময় বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়রেনর চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশ প্রতিবেশী অনেক দেশের তুলনায় উন্নয়নের সূচকে এগিয়ে রয়েছে। দেশ আজ ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো না, জাতি কলঙ্কমুক্ত হতো না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *